স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মাতঙ্গিনী হাজরা তাঁকে বীরাঙ্গনা বললে কম বলা হবে ।
গান্ধীর আদর্শে প্রভাবিত হয়ে তিনি আলিনান লবণ কেন্দ্রে লবণ প্রস্তুত করেন। এর ফলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানা দখল অভিযানে তিনি অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন। ইংরেজ পুলিশ মিছিলের ওপর গুলি চালালে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী ছত্রভঙ্গ হলেও নির্ভীক মাতঙ্গিনী হাজরা জাতীয় পতাকা হাতে ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনি দিতে দিতে এগিয়ে গিয়েছিলেন। পুলিশের গুলিতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। রক্তে মাটি ভিজে ওঠে। মৃত্যুবরণ করলেও হাতে তাঁর তখনও পতাকা ধরা । যেখানে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান সেই পবিত্র স্থানে নির্মিত হয়েছে তাঁর মর্মর মূর্তি। জায়গাটি রেলিং দিয়ে ঘেরা ।
জিষ্ণুহরি মন্দির দেখে হাঁটতে হাঁটতে জেলখানার মোড়ে এসে বাঁ দিক ধরে গেলে আবাসবাড়ি পাড়ার কাছে বাণপুকুরের ধারে অবস্থিত মাতঙ্গিনী স্মৃতি স্তম্ভ ।



Comments
Post a Comment